ভারতীয় শেয়ার সন্মদ্ধীয় যাবতীয় তথ্য ও লাভজনক শেয়ারে প্রতিদিন পরামর্শ
Get link
Facebook
X
Pinterest
Email
Other Apps
যদি কোনও রকম ভাবে শেয়ার সংক্রান্ত কোনও পরামর্শের প্রয়োজন হয় এবং কেউ যদি মাসিক লাভজনক শেয়ার টিপ্স নিতে আগ্রহী হয় , তারা আমার whatsapp নাম্বারে যোগাযোগ করুন ।
যখন এডভান্স লেবেলে ট্রেড করতে যাবেন তখন আভারেজ সিস্টেম ট্রেড থিওরি জানা আবশ্যই প্রয়োজন । এটা খুব সাধারণ ব্যাপার তবুও জানা প্রয়োজন । কারন বেশিরভাগ সময় আভারেজ করে রিক্স ফ্যাক্টর কমানো মার্কেটে আপনাকে লাভের সম্ভাবনা অনেকাংশে বাড়িয়ে দেয় । ট্রেড করলে আপনি বুঝতে পারবেন ও আপনার কাছে জিনিসটা সহজ হতেই থাকবে । তাই শেয়ার মার্কেট জুয়া এই ভ্রান্ত ধারণা থেকে বেরিয়ে এসে সামান্য কিছু বিনিয়োগ করে শেয়ার মার্কেট শিখুন । সামান্য কিছু মানে যেটা আপনার লস হলেও কোনও যায় আসে না । এবার আসা যাক মূল বিষয়ে । আভারেজ শুধুমাএ তখন করুন যখন আপনার শেয়ার টি লস করছে । কিভাবে করতে হয় একটু বলে দিই । শেয়ার কেনার পরে দেখলেন যে শেয়ারটি পড়ে গেছে বেশ কিছুটা , কিন্তু আপনি জানেন যে শেয়ারটা উঠবেই কারন কেনার আগে আপনি ভালভাবে দেখে বুঝে কিনেছেন । অনেক সময় ক্ম্পানি তাঁদের শেয়ারে লেট রিটার্ন দেয় । তখন সাধারণতঃ শেয়ারটি একটু ফ্ল্যাট থাকে এতে ঘাবড়ানোর কিছু নেই বরং একটু পড়লে আভারেজ করুন । এতে আপনার লাভ অনেক বেশি হবে । উদাহরন সরূপ - আপনি টাটা কম্পানীর 10 শেয়ার কিনলেন এবং প্রত্যেক শেয়ারের দাম 100 টাকা , তাহলে আপনার বিনিয়ো...
শেয়ার কথার অর্থ অংশিদারি , কোনো কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান সরাসরি পাবলিকের কাছ থেকে মুলধন সংগ্রহ করার জন্য ঐ কোম্পানির কিছু শেয়ার পাবলিকের কাছে বিক্রি করে । আমরা ঐ কোম্পানির শেয়ারগুলো কিনি । কোম্পানির লভ্যাংশ এই শেয়ারগুলোতে সরাসরি প্রদান করতে থাকে এবং শেয়ারগুলো দাম বাড়তে থাকে । যে দামে কেনা হয় তার থেকে যত দাম বাড়ে সেটা ঐ শেয়ার হোল্ডারদের লাভ হয় । কিন্তু একজন ব্যক্তি যদি শেয়ার কিনতে চান তাহলে তাকে কয়েকটি আবশ্যক জানার বিষয় থাকে ,যেমন ফল, সব্জি, মুদিবাজার করার জন্য কিছু নির্দিষ্ট জায়গায় বাজার প্রতিষ্ঠান, সুপার মার্কেট, শপিং মল বা সাধারণ বাজার আছে সেরকম শেয়ার কেনা বেচার জন্য সরকার প্রদত্ত স্টক এক্সচেঞ্জ আছে । শেয়ার কেনাবেচা করতে গেলে স্টক এক্সচেঞ্জে নাম তালিকাভুক্ত করতে হয় । ভারতে দুটো স্টক এক্সচেঞ্জে হল NSE (ন্যাশনল স্টক এক্সচেঞ্জ) ও BSE ( বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জ) । এই দুটো এক্সচেঞ্জে একই সাথে নাম তালিকাভুক্ত হয়ে যায় । যাতে আপনি শেয়ার বাজারে লেনদেন করতে গিয়ে কোনো জালিয়াতির সমস্যায় না পড়েন তার জন্য ভারত সরকারের SEBI (সিক্যুরিটি এন্ড এক্সচেঞ্জ বোর্ড ওফ ইন্ডিয়া) আপনার সম্পুর্ণ অর্থনৈতিক ...
যদি আপনি ডিম্যাট ও ট্রেডিং একাউন্ট খুলে থাকেন বা শেয়ার কেনার জন্য তৈরি থাকেন ,তাহলে এই দ্বিতীয় পর্ব এ জানতে পারবেন শেয়ার বাজার সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য । ভারতীয় শেয়ার বাজারকে ৪ ভাগে ভাগ করা হয় । ১/ ইকুইটি ২/ কমোডিটি ৩/ফরেক্স ৪/কারেন্সি এর মধ্যে ফরেক্স ও কারেন্সি ট্রেডিং এ ভারত সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করে না কিন্তু ইকুইটি ও কমোডিটি মার্কেট ভারতীয় সরকার দ্বার পরিচালিত NSDL ও SEBI পুরোপুরি সুরক্ষিত বিনিয়োগ প্রদান করে। ১/ ইকুইটি মার্কেট (equity market) ইকুইটি মার্কেট কেও দুটি ভাগে বিভক্ত করা হয়। ১-ক্যাশ মার্কেট ও ২- ডেরিভেটিভ ক্যাশ মার্কেট থেকে সরাসরি টাকার বিনিময়ে শেয়ার কেনাবেচা করা যায় । যেমন ধরুন আপনার ট্রেডিং একাউন্টে ৫০০ টাকা আছে আর আপনি SBI এর শেয়ার কিনতে চাইছেন, ধরে নেওয়া যাক যে বর্তমান SBI শেয়ার মূল্য ৫০টাকা , তাহলে আপনি ঐSBI এর শেয়ার ২০ টি কিনতে পারবেন । এবার একটু টেকনিক্যাল আলোচনা করা হবে । আপনি আজকের দিনে যে শেয়ার কিনেছেন সেই শেয়ার (এক বা একাধিক) যদি আজকেই বিক্রি করে দেন তাহলে সেটা ইন্টারডে ট্রেডিং , আর আপনি যদি শেয়া...
Comments
Post a Comment